বাংলাদেশে এমন লক্ষ লক্ষ পরিবার আছে, সারা বছর যাদের গরু-ছাগলে গোশত খাওয়ার সুযোগ হয় না। কেবল কুরবানীর ঈদেই তাদের জন্য গোশত খাওয়ার একমাত্র সুযোগ তৈরি হয়। এই মানুষগুলো এমন দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় বসবাস করেন, যেখানে কুরবানী হয় খুবই কম। ফলে অনেক সময় ঈদের দিনেও তারা পর্যাপ্ত গোশত পান না।
অন্যদিকে শহরের একটি ভবনে যতগুলো কুরবানী হয়, অনেক গ্রামের পুরো এলাকাতেও তা হয় না। তাই কুরবানীর গোশতের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে “সবার জন্য কুরবানী” আয়োজন করা হয়।
এর মাধ্যমে শহরের দাতাদের কুরবানীর পশু উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জবাই করে সেসব এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে গোশত বিতরণ করা হয়।
কুরবানী এমন একটি ইবাদত, যা প্রতিনিধির মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়। যে কেউ চাইলে তার কুরবানী বা তার একটি অংশ আমাদের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।





